1. admin@dainikneyeralo.top : admin :
  2. ashim540@gmail.com : ashim mahato : ashim mahato
  3. gofur66@gmail.com : Md Gofur : Md Gofur
  4. sobuj45@gmail.com : Sobuj ahmed : Sobuj ahmed
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন

হাম উপসর্গে আক্রান্ত বাড়ছে, শিশুদের জন্য জরুরি সেবায় সংকট

ডেস্ক রিপোর্ট
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৪ Time View

বগুড়ায় হামের উপসর্গে শিশু ভর্তি বাড়ছে, নেই পিআইসিইউ ও ভেন্টিলেটর সুবিধা

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু ভর্তি ক্রমেই বাড়ছে। তবে হাসপাতালে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (পিআইসিইউ) ও ভেন্টিলেটর সুবিধা না থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি শিশুদের আলাদা আইসোলেশন কক্ষে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন শ্বাসকষ্টে ভুগছে। ভেন্টিলেটরের পরিবর্তে অক্সিজেন সিলিন্ডারের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে বুধবার ভোরে এই ওয়ার্ডে হুমায়রা নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বজন বলেন, হাম বা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের জন্য আইসিইউ অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু এখানে শিশুদের জন্য কোনো বিশেষায়িত আইসিইউ নেই। পরিস্থিতির অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে, যা পরিবারের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাসপাতালের উপপরিচালক ও মুখপাত্র ডা. মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ জানান, ৩০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে শিশুদের জন্য পেডিয়াট্রিক আইসিইউ না থাকায় জটিল রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তরের প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে। পিআইসিইউ চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সহায়তা চেয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদনও করা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দুই শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে মোট ১১ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে কিছুটা সুস্থ হওয়ায় একজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, বগুড়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো রোগী ভর্তি হয়নি এবং চিকিৎসাধীন একজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন মো. খুরশীদ আলম জানান, ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত পাঁচ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৯ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে বেশিরভাগই বগুড়ার বাসিন্দা। বর্তমানে শজিমেক হাসপাতালে ১১ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। মৃত শিশুটি হামে আক্রান্ত ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, কারণ পরিবার নমুনা দিতে রাজি হয়নি।

এদিকে, জেলার উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে বর্তমানে হামের কোনো রোগী ভর্তি নেই। গত মার্চ মাসে বিভিন্ন উপজেলা থেকে নমুনা পরীক্ষায় দুই শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dainikneyeralo.top
Theme Customized BY ITPolly.Com