বগুড়া ১২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাজিলে খলিফা ওমর (রা.)-এর নামে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ

দক্ষিণ আমেরিকার সর্ববৃহৎ রাষ্ট্র ব্রাজিলের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন মসজিদ ‘ওমর ইবনুল খাত্তাব মসজিদ’। সে অবস্থানরত মুসলমানদের এই ধর্মীয় উপাসনালয়টি ব্রাজিলের পারানা অঙ্গরাজ্যের ফোজ দো ইগুয়াসু শহরে অবস্থিত। মসজিদের কাছে আছে বিশ্বের বিখ্যাত ইগুয়াসু জলপ্রপাত।

 

দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ উদ্বোধন করা হয়। নকশার দিক থেকে মসজিট বেশ খোলামেলা এবং পুরো ভবনটি সাদা রঙে সজ্জিত। অনেকের মতে এর স্থাপত্যশৈলীতে অনেকটা জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদকে অনুসরণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে মহানবী (সা.)-এর বিশিষ্ট সাহাবি ও ইসলামের চার খলিফার অন্যতম খলিফা হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর নামে।

 

মসজিদের সুউচ্চ দুই মিনার দূর থেকে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। সেখান থেকে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত আজান দেওয়া হয়, যা মুসল্লিদের জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য প্রশস্ত মূল নামাজকক্ষে সমবেত হতে আহ্বান জানায়।

 

মসজিদের অভ্যন্তরে প্রায় ৪০০ বর্গমিটার (প্রায় ৪,৩০০ বর্গফুট) আয়তনের একটি প্রশস্ত মূল নামাজের হল রয়েছে, যা মোট ৬০০ বর্গমিটার (প্রায় ৬,৫০০ বর্গফুট) নির্মিত এলাকার অংশ। মূল নামাজকক্ষের পেছনের দেয়ালে একটি আকর্ষণীয় ডিজাইনের মিহরাব নির্মিত হয়েছে।

 

সেখানে অবস্থানরত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের এটি একটি আধ্যাত্মিক প্রশান্তির কেন্দ্র। এছাড়া সে দেশে ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকরা ইসলামের এই অনন্য নিদর্শনের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে ছুটে আসে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ভাইরাল

ভুল সংবাদ ছড়ানো শীর্ষ ৭ সংবাদমাধ্যম, রিউমর স্ক্যানারের পরিসংখ্যান প্রকাশ

ব্রাজিলে খলিফা ওমর (রা.)-এর নামে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ

পাবলিশ টাইম : ০৬:২৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

দক্ষিণ আমেরিকার সর্ববৃহৎ রাষ্ট্র ব্রাজিলের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন মসজিদ ‘ওমর ইবনুল খাত্তাব মসজিদ’। সে অবস্থানরত মুসলমানদের এই ধর্মীয় উপাসনালয়টি ব্রাজিলের পারানা অঙ্গরাজ্যের ফোজ দো ইগুয়াসু শহরে অবস্থিত। মসজিদের কাছে আছে বিশ্বের বিখ্যাত ইগুয়াসু জলপ্রপাত।

 

দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ উদ্বোধন করা হয়। নকশার দিক থেকে মসজিট বেশ খোলামেলা এবং পুরো ভবনটি সাদা রঙে সজ্জিত। অনেকের মতে এর স্থাপত্যশৈলীতে অনেকটা জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদকে অনুসরণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে মহানবী (সা.)-এর বিশিষ্ট সাহাবি ও ইসলামের চার খলিফার অন্যতম খলিফা হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর নামে।

 

মসজিদের সুউচ্চ দুই মিনার দূর থেকে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। সেখান থেকে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত আজান দেওয়া হয়, যা মুসল্লিদের জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য প্রশস্ত মূল নামাজকক্ষে সমবেত হতে আহ্বান জানায়।

 

মসজিদের অভ্যন্তরে প্রায় ৪০০ বর্গমিটার (প্রায় ৪,৩০০ বর্গফুট) আয়তনের একটি প্রশস্ত মূল নামাজের হল রয়েছে, যা মোট ৬০০ বর্গমিটার (প্রায় ৬,৫০০ বর্গফুট) নির্মিত এলাকার অংশ। মূল নামাজকক্ষের পেছনের দেয়ালে একটি আকর্ষণীয় ডিজাইনের মিহরাব নির্মিত হয়েছে।

 

সেখানে অবস্থানরত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের এটি একটি আধ্যাত্মিক প্রশান্তির কেন্দ্র। এছাড়া সে দেশে ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকরা ইসলামের এই অনন্য নিদর্শনের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে ছুটে আসে।