1. admin@dainikneyeralo.top : admin :
  2. ashim540@gmail.com : ashim mahato : ashim mahato
  3. gofur66@gmail.com : Md Gofur : Md Gofur
  4. sobuj45@gmail.com : Sobuj ahmed : Sobuj ahmed
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

বগুড়ায় প্রাইভেট পড়তে গিয়েছিল শিশু রাকা, পাওয়া গেল বস্তাবন্দী মরদেহ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • Update Time : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

বগুড়ার আদমদীঘিতে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া ছয় বছর বয়সী এক শিশুকন্যার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজনসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

 

নিহত শিশুর নাম রাকিকা আক্তার রাকা (৬)। সে সান্তাহার পৌরসভার ইয়ার্ড কলোনি নূরানি মাদরাসার শিশু শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা রায়হান আলী।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাকা প্রতিদিনের মতো প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তার দাদি, ফুফু ও বাবা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

 

অনেক খোঁজাখুঁজির পরও রাকার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি জানান। পরে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার জন্য রাকার বাবাকে আদমদীঘি থানায় পাঠানো হয়।

 

এদিকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যরা খবর পান, সান্তাহার পৌরসভার সাহেবপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের বাড়ির শয়নকক্ষ সংলগ্ন একটি কক্ষে সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে রাকার মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন প্রধান সন্দেহভাজন আমজাদ হোসেনকে আটক করে রাখেন।

 

খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা ও সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমজাদ হোসেন (৪০), তার স্ত্রী বন্যা (৩২) এবং অপর সহযোগী বাবুকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেন। এ সময় গণপিটুনিতে আহত হওয়ায় আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রীকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর মরদেহ একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে ঘরের পাশে রাখা হয়েছিল।

 

তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dainikneyeralo.top
Theme Customized BY ITPolly.Com