বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের মারিয়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিনারা খাতুন নামে এক গৃহবধূকে হত্যার উদ্দেশ্যে বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে মাথা ও নাকে গুরুতর জখম করার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ছাগল মারাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী নাসির উদ্দিনের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিরোধের জেরে গত ১২ জুন সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে মারিয়া গ্রামের একটি সড়কে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের ওপর এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
এ সময় দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোঃ নাসির উদ্দিন, নাহিদা খাতুন, মানসুরা খাতুন, সালেকা খাতুন ও তহিদা খাতুনসহ অভিযুক্তরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাদের এলোপাতাড়ি মারপিট করে, যার ফলে গৃহবধূ মিনারা খাতুনের মাথায় ও নাকে প্রচণ্ড আঘাত লাগে এবং তার নাকের ফুলসহ নাক ও মাথা ফেটে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মিনারা খাতুনকে উদ্ধার করে প্রথমে নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে বর্তমানে তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই নৃশংস ঘটনায় পরিবারের অন্য সদস্যরাও আহত হয়েছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে গত শুক্রবার রাতে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর স্বামী মোয়াজ্জেম হোসেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) সামাদ জানান, গৃহবধূর ওপর হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।